You are currently viewing চামড়া শিল্পের সংকট সমাধানে সময় লাগবে, ধৈর্যের আহ্বান বাণিজ্য মন্ত্রীর

চামড়া শিল্পের সংকট সমাধানে সময় লাগবে, ধৈর্যের আহ্বান বাণিজ্য মন্ত্রীর

চামড়া শিল্পকে একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাতে পরিণত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তবে এই খাতের দীর্ঘদিনের সংকট মাত্র আড়াই মাসে সমাধান করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে সিলেটের রিকাবীবাজার জিমনেসিয়াম হলে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, দেশের চামড়া শিল্পের প্রধান প্রধান দুর্বলতাগুলো ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এই খাতের সার্বিক উন্নয়নে অংশীজনদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম শেষ হলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র আড়াই মাস। এত অল্প সময়ে বড় কোনো পরিবর্তন সম্ভব না হলেও একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের কাজ পুরোদমে চলমান রয়েছে। চামড়া দেশের একটি বড় সম্পদ এবং এর অপচয় রোধে তিনি সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
দেশের বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার বিষয়ে মন্ত্রী একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়ে জানান, বাংলাদেশের শিল্প খাতে, বিশেষ করে বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানায় বিনিয়োগের জন্য চীনা বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছেন। সরকার অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এগুলোকে আবার সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে এবং খুব শিগগিরই এই বিষয়ের অগ্রগতির প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্য ও উদ্বোধন শেষে বাণিজ্য মন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। শিক্ষার্থীরা যেসব উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শন করেছে, তিনি সেগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমুখী সৃজনশীল উদ্যোগে আরও যুক্ত হওয়ার অনুপ্রেরণা দেন।
মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আব্দুল মালিক, মো. সারওয়ার আলম ও আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরী এবং সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

Leave a Reply