দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করায় তাহমিনা আক্তার মৌমিকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন।
২ নভেম্বর, সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ) পরিচালিত জিডিএফ-ডিকেএফ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মৌমির এই অসাধারণ সাফল্য উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জিডিএফের একটি প্রতিনিধি দল। সংগঠনের মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক বায়জিদ খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি এ সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
এ সময় জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে তাহমিনা আক্তার মৌমির জিপিএ-৫ অর্জন অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। তার এই অসাধারণ সাফল্য শুধু পরিবার কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য নয়, বরং পুরো সমাজের জন্য গর্বের। প্রতিকূলতাকে জয় করে অধ্যবসায়, একাগ্রতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে যে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব, মৌমি তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
তিনি আরও বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কখনোই মেধা, মনোবল ও স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা হতে পারে না। মৌমির এই অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, সরকার বরাদ্দকৃত জায়গায় জিডিএফের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সেখানে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
এ সময় জিডিএফের মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক বায়জিদ খান প্রতিষ্ঠানে মৌমির মতো আরও অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থী গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার বরাদ্দকৃত জায়গা স্থায়ীভাবে বরাদ্দ, ভবন নির্মাণসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসকের প্রতি অনুরোধ জানান।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন জিডিএফের হিসাবরক্ষক মো. শাহজাহান ও কম্পিউটার অপারেটর তাজকিরা জান্নাত সুইটি।
পরে জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন তাহমিনা আক্তার মৌমিকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার প্রদান করেন।
এদিকে, প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদ রানার সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তিনি মৌমির এই অসাধারণ সাফল্যে তাকে অভিনন্দন জানান এবং উপহার প্রদান করেন।
