সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের সিলেটের প্রবেশমূখ চন্ডিপুল থেকে হুমায়ুন রশীদচত্বর পর্যন্ত অংশে যানজটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের। ভাঙাচোরা এই সড়কে সংস্কার কাজ চলার কারণে এই সড়কে সবসময়ই লেগে থাকে যানজট।
যানজট ও সড়ক নির্মাণ কাজের কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ কমাতে সিলেটের প্রধান প্রবেশপথ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হুমায়ুন রশীদ চত্বর থেকে চন্ডিপুল অংশে যান চলাচলে নতুন নির্দেশা দিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। আগামী শুক্রবার থেকে নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হবে।
বুধবার (১০ জুন) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়।
জানা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চন্ডিপুল থেকে হুমায়ুন রশীদ চত্বর অংশটি সিলেট নগরীর প্রধান প্রবেশপথ। প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও যাত্রী এ পথ ব্যবহার করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলমান সড়ক উন্নয়ন ও নির্মাণকাজের কারণে এ এলাকায় তীব্র যানজট, ধুলোবালি ও ভাঙাচোরা সড়কের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন করতে নতুন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর সিদ্ধান্ত নেয় এসএমপি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী শুক্রবার (১২ জুন) থেকে ঢাকা অভিমুখী সব যানবাহনকে নগরীর হুমায়ুন রশিদ চত্ত্বর থেকে চন্ডিপুল পয়েন্ট হয়ে একমুখী চলাচল করতে হবে।
আবার সিলেট অভিমুখী সব যানবাহনকে চন্ডিপুল পয়েন্ট থেকে বাঁয়ে মোড় নিয়ে বঙ্গবীর রোড হয়ে কদমতলীস্থ নিজ নিজ টার্মিনালে প্রবেশ করতে হবে।
একই সাথে হুমায়ুন রশীদ চত্ত্বর- চন্ডিপুল পয়েন্ট-বাবনা পয়েন্ট-কিনব্রিজের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে কদমতলী বাস টার্মিনাল পর্যন্ত আশপাশ এলাকায় রাস্তার উপর কোনো অবৈধ স্থাপনা ও যানবাহন পার্কিং না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হুমায়ুন রশীদ চত্ত্বর থেকে চন্ডিপুল পর্যন্ত অংশ নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় এই নির্দেশনা। নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
